
অগ্রসর রিপোর্ট: নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, সারাদেশে নৌপথ সচল রাখতে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনে সরকারের ১৬টি সংস্থা কাজ করছে। নৌযাত্রা নিরাপদ করতে এই সংস্থাগুলোর প্রত্যেকটিকে কার্যকর করা হবে।
আজ রাজধানীর রমনায় লেডিস ক্লাবে নৌপরিহন অধিদপ্তর আয়োজিত নৌ-নিরাপত্তা সপ্তাহ ২০২৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ন্যাচারালি ১৬ হাজার কিলোমিটার নৌপথ রয়েছে। এর মধ্যে সাড়ে ৭ হাজার কিলোমিটার সচল আছে। ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার নৌপথকে ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে সকল সচল রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। আরো সাড়ে ৪ হাজার কিলোমিটার নৌপথকে সচল করার সুযোগ আছে।
মন্ত্রী বলেন, ৫৩ বছরে সারাদেশে ৫৩ হাজার কিলোমিটার সড়ক পথ তৈরি করা হয়েছে। আর বাংলাদেশের ন্যাচারালি ১৬ হাজার কিলোমিটার নৌপথ আছে, যা আমাদের জন্য আশীর্বাদ।
তিনি বলেন, এ বিশাল নৌপথকে কার্যকর করা গেলে সড়ক পথের ওপর চাপ অনেকটা কমে আসবে। মালামাল পরিবহন অনেকটা সহজ হবে।
অনুষ্ঠানে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান বলেন, গতবছর অনেক সতর্ক থাকার পরেও নৌপথে দু’টি দুর্ঘটনা আমাদেরকে কষ্ট দিয়েছে। আগামী ঈদ উপলক্ষ্যে তাই নৌ-যাত্রার সাথে সম্পৃক্ত সবাইকে সচেতন হতে হবে।
নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. জাকারিয়া বলেন, নদীমাতৃক বাংলাদেশে নৌ-পথের গুরুত্ব অপরিসীম।
তিনি আরো বলেন, সারাদেশের মোট পণ্যের ৯০ ভাগ নৌপথে পরিবহন করা হয়। আগামীতে এই অবস্থা আরো বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
সচিব বলেন, আগে নৌযানের ডিজাইন ম্যানুয়ালি পরীক্ষা করা হতো। এখন থেকে ডিজিটালি পরীক্ষা করা হবে।
তিনি আরো বলেন, আগের চেয়ে এখন নৌ-পথে যাত্রীর সংখ্যা অনেক কমে গেছে। নিরাপত্তা জোরদারের মাধ্যমে নৌ-পথে যাত্রীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে। তবেই নৌপথে যাত্রীসংখ্যা বাড়ানো সম্ভব।
নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমোডর সফিউল বারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, কোস্টগার্ডের অতিরিক্ত মহাপরিচালক কমোডোর আফজাল হোসেন, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন সংস্থার সভাপতি বদিউজ্জামান বাবুল প্রমুখ।

✍️ মন্তব্য লিখুন