
কীর্তি আজাদ বলেন, নোট বাতিলের ফলে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে। কাজের অভাবে প্রচুর সংখ্যক শ্রমিককে বাসায় ফিরে আসতে হচ্ছে। ৮ নভেম্বরের পর থেকে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশিতে প্রচুর পরিমাণে অবৈধ অর্থ উদ্ধার হয়েছে। ওই পদক্ষেপ আগে ব্যাপকভাবে না হওয়ার ঘটনাকে তিনি অর্থ মন্ত্রণালয়ের অক্ষমতার পরিচয় বলে মন্তব্য করেন।
অরুণ জেটলি যদি ইস্তফা না দেন তাহলে প্রধানমন্ত্রীর তাকে দ্রুত পদচ্যুত করা উচিত বলেও কীর্তি আজাদ মন্তব্য করেন।
