এই তিনজন হলেন- পত্রিকাটির সম্পাদক মোহাম্মদ আতিক উল্লাহ খান মাসুদ, উপদেষ্টা সম্পাদক তোয়াব খান ও নির্বাহী সম্পাদক স্বদেশ রায়।
ঢাকার মহানগর হাকিম স্নিগ্ধা রানী চক্রবর্তী সোমবার তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির এ আদেশ দেন।
ঢাকা মেট্রোপলিটন বার অ্যাসেসিয়েশনের সভাপতি আরফান উদ্দিন খান গত ২২ ফেব্রুয়ারি ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে জনকণ্ঠ সম্পাদকসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মানহানি মামলার আবেদন করেন।
আরজিতে বলা হয়, ৪ ফেব্রুয়ারি পত্রিকাটির ৬ নম্বর পৃষ্ঠায় উপসম্পাদকীয় হিসেবে ‘অবসরের পরে রায় লেখা। এজেন্ডা বাস্তবায়নের দায় এখন নতুন কাঁধে’ শিরোনামে স্বদেশ রায়ের এক লেখায় বলা হয়, মুক্তিযুদ্ধের সময় ‘২২ বছরের মি. সিনহা গোলাম আযমের সৃষ্ট শান্তি বাহিনীতে যোগ দিয়েছেন।’
“১৯ ও ২০ জানুয়ারিতেও প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার কয়েকটি বক্তব্য দিয়ে খবর ছাপা হয়, যা মানহানিকর ও মিথ্যা।”
ওই আবেদন শুনে গত ২২ ফেব্রুয়ারি ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত আতিক উল্লাহ খান মাসুদসহ তিনজনকে তলব করেন। ২১ মার্চ আদালতে হাজির হয়ে তাদের ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়।
ওই তলবের পরও সোমবার নির্ধারিত তারিখে তারা আদালতে না আসায় বিচারক গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানান বাদীর আইনজীবী আরফান উদ্দিন খান।