অগ্রসর রিপোর্ট : বিজয় চক্রবর্ত্তী : ৫১৮ বছরের আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চট্টেশ্বরী কালী মায়ের মন্দির চত্বরে পিতা তারাপদ চক্রবর্ত্তীর মাতা সুলতা রানী চক্রবর্ত্তী। সুলতা রানী চক্রবর্ত্তী মায়ের গর্ভে জন্মগ্রহণ করেন ১৫ জানুয়ারী ১৯৫০ সাল। বিজয় চক্রবর্ত্তী দামপাড়া বাগমনিরাম স্কুল হতে ব্যক্তিগত জীবনের লেখাপড়া শুরু করেন। উচ্চ শিক্ষার্থে ভারতে ইউনিয়ন খ্রিষ্টান মিশনের স্কুলে ভর্তি হয়ে ভারতে লেখাপড়া করিতে থাকে। ১৯৬৫ সালের তিনি জন্মভূমি এলাকায় ফেরত আসেন। পরবর্তীতে পিসিসেন বোয়ালখালী থানার সারওয়াতলী উচ্চ বিদ্যালয় হতে এসএসসি পরীক্ষায় উর্ত্তীণ হয়ে চট্টগ্রাম সিটি কলেজ কর্মাস বিভাগে ভর্তিন হউন। এর পরে আইকম পরীক্ষায় ্উত্তীর্ণ হবার পর চট্টগ্রাম হোমিওপ্যাথিক কলেজে লাভলেইন থেকে সাড়ে ৪ বছর ডি.এইচ. এম. এস হোমিওপ্যাথিক পরীক্ষায় কৃতকার্য হয়ে সনদপত্র লাভ করেন। ১৯৭২ সাল থেকে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের ইউনিসেফ ফুড কো-অডিনেটর এ চাকরী করেন। ইউনিসেফ এ কর্মরত অবস্থায় প্রশংসিত হওয়াতে আন্তর্জাতিক জেনেবা রেড ক্রোস এয়ারপোর্ট অফিসার এবং সিকিউরিটি মুভমেন্ট অফিসার নিয়োগ প্রাপ্ত হন। বাংলাদেশ থেকে যুদ্দবন্ধী বিনিময়ে এবং বিহারে পাকিস্তানের পাঠানোর ব্যাপারে সক্রিয় ভূমিকা রাখায় প্রশংসাপ্রাপ্ত হয়। এছাড়াও বেশ কয়েকজন মানবাধিকার সংস্থায় কাজ করিয়া ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ সিভির ডিফেন্স কর্তৃক সনদপ্রাপ্ত একজন ১৫নং ওয়ার্ডে ৩০০ সদস্যের স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীর প্রধান। এছাড়াও বর্তমান ব্যক্তি জীবনে সনাতনী সমাজের বেদ শাস্ত্র অনুযাী সংস্কৃত, আদ্য, কাব্য, পৌরণিক, স্মৃতিতীর্থ হিসেবে প-িত উপাধি লাভ করেন। সময়ের অবসরে গরিব দিনদুঃখী মানুষের সমস্যা নিয়ে সমাজসেবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। গরিবের নারী নির্যাতন দমনের স্বার্থে নারী প্রগতি সংঘের কাজীর দেউড়ী ফোরামের একজন সহ সভাপতি হিসেবে নিয়োজিত আছেন। বর্তমান সমাজসেবক বাংলাদেশ সনাতনী মঠ. মন্দির আশ্রমের সেবায়েত কল্যাণ সংস্থার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নিয়োজিত আছেন। এক কথায় বলা যায় বর্তমানে বিজয় চক্রবর্ত্তী একজন বিশিষ্ট সমাজ সেবক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।
